এস্ট্রলজিতে সংখ্যাতত্ব একটি মজার বিষয়। আমাদের জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে সংখ্যার ব্যবহার রয়েছে। বলা হয়ে থাকে সময় ও কাজের যোগফল হচ্ছে জীবন। বাস্তবজীবনের দিকে যদি আমরা তাকাই তবে  দেখবো সবকিছুই সংখ্যা দ্বারা প্রভাবিত। যেমন প্রতিটি মানুষ একটি নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে জন্মগ্রহণ করে। তারিখ ও সময়ের হিসেব নিরূপণ হয় সংখ্যা দ্বারা। স্কুলে ক্লাসের মেধাবী ছাত্রের মূল্যায়ণও হয় সংখ্যা দ্বারা। যে বেশি নাম্বার পায় সে হয় প্রথম তার পর দ্বিতীয়, তৃতীয় এভাবে চলতে থাকে। কর্মজীবনে যদি তাকাই সেখানেও সংখ্যার প্রভাব রয়েছে। পদমর্যাদা, বেতন, হিসাবনিকাশের সবকিছুর মধ্যে রয়েছে সংখ্যা। যেমন আপনার বাড়ি নাম্বার, গাড়ি নাম্বার, রোড নাম্বার, কাউন্টার নাম্বার, রুম নাম্বার, সিরিয়াল নাম্বার, সিট নাম্বার, টোকেন নাম্বার, ফোন নাম্বার, রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এমন কতো যে নাম্বারের প্রয়োগ রয়েছে তা আমরা দৈনন্দিন জীবনে দেখতে পাই। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার। যে নাম্বার দিয়ে আপনার ব্যক্তিগত অনেক তথ্যই জানা সম্ভব। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বারের সাথে অন্য কারও নাম্বারের মিল নেই।

এস্ট্রলজিতে সংখ্যাতত্বের প্রয়োগ ব্যাপক। এখানে রয়েছে জন্ম সংখ্যা, নাম সংখ্যা, কর্মসংখ্যা। সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মানুষের জীবনের অনেক ঘটনার পূর্বাভাস পাওয়া যায়। নাম ও জন্মতারিখ অনুসারে কিছু সংখ্যাকে শুভ আবার কিছু সংখ্যাকে অশুভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্রতিটি সংখ্যা এককটি গ্রহের প্রতিনিধিত্ব করে। যেমন

১ সংখ্যা রবি/সূর্যের প্রতিনিধিত্ব করে।

২ সংখ্যা চন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করে।

৩ সংখ্যা বৃহস্পতির প্রতিনিধিত্ব করে।

৪ সংখ্যা ইউরেনাসের প্রতিনিধিত্ব করে।

৫ সংখ্যা বুধের প্রতিনিধিত্ব করে।

৬ সংখ্যা শুক্রের প্রতিনিধিত্ব করে।

৭ সংখ্যা নেপচুন প্রতিনিধিত্ব করে।

৮ সংখ্যা শনির প্রতিনিধিত্ব করে।

৯ সংখ্যা মঙ্গলের প্রতিনিধিত্ব করে।

 

>এস্ট্রলজিতে সূর্য ও চন্দ্রকেও গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।