রেইকি হচ্ছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকৃত বিকল্প চিকিতসা পদ্ধতি। বলা হয়ে থাকে শারীরিক ও মানসিক সব ধরনের রোগের চিকিতসা রেইকিতে সম্ভব। পাশ্চাত্যে রেইকি এনার্জি হিলিং নামে পরিচিত। সাধারণ রোগ থেকে পুরানো ও জটিল রোগের নিরাময়েও রেইকি উপকারি।

ড. মিখাও উসুই রেইকিকে আধুনিক মানুষের কাছে সহজবোধ্য করে তুলেছেন। যদিও এখন বিশ্বে বেশ কয়েক ধরনের রেইকির প্রচলন রয়েছে। যেমন ক্রিস্টাল রেইকি, করুণা রেইকি, এন্জেলিক রেইকি ইত্যাদি।

তবে যে কোনো রেইকি শেখার আগে উসুই রেইকি শেখাকে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এতে করে শক্তিপাত সহজ হয়। রেইকি শেখার অল্প সময়ের মধ্যেই নিজেই নিজের চিকিতসা করা যায়। এছাড়া এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আরবীতে রেইকিকে বলা হয় নূরে এলাহী। তবে একজন রেইকি চর্চাকারীকে অবশ্যই আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করতে হয়। জীবনে সকল ক্ষেত্রে সুঅভ্যাস ও কর্ম করতে হয়। কু-বর্জন করতে হয়। প্রভুর ওপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস রেখে নিয়োজিত হয় মানুষের কল্যানে। এতে করে রেইকি মাধ্যমে নিজেকে ও অন্যকে আরোগ্য করা সহজ হয়।

জাপান ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি বেশ সাফল্যের সাথে চলছে। ভারত ও বাংলাদেশে এর জনপ্রিয়তা দিনদিন বাড়ছে। বাংলাদেশে রেইকি সেন্টার বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের রেইকি চিকিৎসা পদ্ধতির প্রশিক্ষণ ও চিকিৎসা দিয়ে আসছে। এ সম্পর্কে রেইকি গ্র্যান্ড মাস্টার এম মহিউদ্দীন ইসলাম বলেন, যার দুটো হাত আছে সেই রেইকি শিখতে পারে। এজন্য বিশেষ জ্ঞান বা শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে যে কেউ এ শক্তি অর্জন করে নিজের ও মানবতার কল্যানে কাজে লাগাতে পারেন। এছাড়া আত্নকর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও রেইকির সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, রেইকির মাধ্যমে আত্নকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। যারা রেইকি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তাদেরকে রেইকি চ্যানেল বলা হয়। আমাদের এখান থেকে প্রশিক্ষণ শেষে এখন অনেকেই নিয়মিত হিলিং করছেন। হিলিং করার মাধ্যমে মানুষ অসুস্থতা থেকে আরোগ্য পাচ্ছে। এরমাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে।

এখন আর রেইকি শেখার জন্য জাপান, আমেরিকা কিংবা ভারতে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। দেশেই রেইকি শেখার ব্যবস্থা রয়েছে। রেইকি সেন্টার বাংলাদেশ নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও ওয়ার্কশপের আয়োজন করে থাকে। রেইকি প্রশিক্ষণ সাধারণত ২ দিনের হয়ে থাকে। প্রতিমাসেই ঢাকা ও চট্টগ্রামে কোর্স  হচ্ছে। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন  01611113022 নাম্বারে।