মানুষ নিজেই তার ভাগ্যের কারিগর।  অনুকূল পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে যে  কেউ জীবনে সফল হতে পারে। যারা অলস কোনো কাজের দক্ষতা অর্জন করে না তাদের ভাগ্য পরিবর্তন হয় না।  ভাগ্যোন্নয়ণের জন্য দরকার নিরলস কাজে ব্যস্ত থাকা। কর্মব্যস্ততা দক্ষতা উন্নয়ণে সাহায্য করে। আর দক্ষলোকেরাই পৃথিবীকে নেতৃত্ব দেয়। আর নেতৃত্বের জন্য দরকার নেতাকে অনুসরণ করা। কাউকে নিজের রোল মডেল হিসেবে অনুসরণ করা। বিশেষ করে সফল মানুষদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আপনিও সফল হতে পারেন।

জীবনে আপনি যত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবেন জীবনযুদ্ধে আপনি তত এগিয়ে থাকবেন। কারণ একবারের চেষ্টায় কারও সাফল্য আসে না। সাফল্য হচ্ছে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। একটি একটি করে ধাপ অতিক্রম করে আপনি সফল হবেন। এর মাঝে আসতে পারে নানারকম বাধাবিপত্তি। যা অতিক্রম করে আপনি অগ্রসর হবেন সাফল্যের পথে।  বিশেষ কোনো কাজে সফল হতে চাইলে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করুন। এরপর কাজে নেমে পড়ুন। মাস শেষে আপনার কর্মপরিকল্পনার সাথে মিলিয়ে নিন কতটা আপনি সফলভাবে পরিকল্পিত কাজ করতে পেরেছেন। যেটা করতে পারেন নি -কেন পারেন নি সে কারণগুলো খুজে বের করুন।  নিজের ভুল খুজে বের করুন। ভুলের চক্র থেকে বের হোন। কর্মব্যস্ত থাকুন। সাফল্যের দ্বার আপনার জন্য খুলে যাবে।

ভাগ্যোন্নয়ণে কারও আশায় বসে থাকলে লাভ নেই। ভাগ্য পরিবর্তন করতে হলে প্রথমে আপনাকে সক্রিয় হতে হবে। নিজের কাজ নিজে করার মানসিকতা থাকতে হবে। যারা সফল ও স্মরণীয় তারা কর্মদ্বারা ভাগ্য গড়েছেন। কোনো কাজকে অবহেলা নয়। এরগুরু করতে হয় ঘর থেকে। বিশেষ করে গৃহস্থালী কাজে অংশগ্রহণ হতে পারে একটি ভালো উপায়। আপনি যখন গৃহে আপনার নিজের কাজ নিজে করতে পারবেন তখন বাইরের অনেক কাজ করা আপনার জন্যে সহজ হবে। বিশেষ করে ভোরে ঘুম থেকে ওঠা, বাজার করা, নিজের ঘর পরিষ্কার করা, খাবার শেষে নিজের প্লেট নিজে পরিষ্কার করা এমন অনেক কাজ রয়েছে যা দিয়ে আপনি নিজেকে বড় কাজের জন্য প্রস্তুত করতে পারবেন। আসলে ছোট ছোট কাজই হচ্ছে বড় সাফল্যের প্রস্তুতি। কাজ শিখুন, দক্ষতা অর্জন করুন। সততার সাথে আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগানে। সাফল্য  নিশ্চিতভাবে আপনার কাছে ধরা দেবে।